হঠাৎ করে যে আপনার সঙ্গীর যে মৃত্যু হবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। আর এক্ষেত্রে মৃত্যুর পর নানা ঝক্কি পোহাতে কিছু তথ্য জেনে রাখা দরকার। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
নিচের তথ্যগুলোর সব যে থাকতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু যা যা রয়েছে, সে তথ্য জানা থাকা উচিত। এতে মৃত্যুপরবর্তী ঝামেলা এড়ানো সহজ হবে।
১. সঞ্চয় ও পেনশনের তথ্য,
২. জন্ম নিবন্ধন,
৩. বিয়ের কাবিননামা,
৪. ইন্সুরেন্সের তথ্য,
৫. বাড়ি ও সম্পত্তির কাগজপত্র,
৬. ঋণের কাগজপত্র,
৭. গাড়ির লাইসেন্সের কাগজপত্র,
৮. লাইফ ইন্সুরেন্সের কাগজপত্র,
৯. অনলাইন অ্যাকাউন্ট, ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের লগইন তথ্য।
উপরের তথ্যগুলো যদি আপনার সঙ্গীর হাতে নাও দেওয়া হয় তার পরেও কোথায় এ তথ্যগুলো পাওয়া যাবে, তা জানিয়ে রাখতে হবে। এতে মৃত্যুপরবর্তী বহু ঝামেলা থেকে মুক্ত হওয়া যাবে সহজেই।
নিচের তথ্যগুলোর সব যে থাকতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু যা যা রয়েছে, সে তথ্য জানা থাকা উচিত। এতে মৃত্যুপরবর্তী ঝামেলা এড়ানো সহজ হবে।
১. সঞ্চয় ও পেনশনের তথ্য,
২. জন্ম নিবন্ধন,
৩. বিয়ের কাবিননামা,
৪. ইন্সুরেন্সের তথ্য,
৫. বাড়ি ও সম্পত্তির কাগজপত্র,
৬. ঋণের কাগজপত্র,
৭. গাড়ির লাইসেন্সের কাগজপত্র,
৮. লাইফ ইন্সুরেন্সের কাগজপত্র,
৯. অনলাইন অ্যাকাউন্ট, ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের লগইন তথ্য।
উপরের তথ্যগুলো যদি আপনার সঙ্গীর হাতে নাও দেওয়া হয় তার পরেও কোথায় এ তথ্যগুলো পাওয়া যাবে, তা জানিয়ে রাখতে হবে। এতে মৃত্যুপরবর্তী বহু ঝামেলা থেকে মুক্ত হওয়া যাবে সহজেই।

Post a Comment