৬২ বছর বয়সী পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমানে রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ইমরান খান সম্প্রতি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। কণে বিবিসির সাবেক উপস্থাপিকা রেহাম খান যিনি বর্তমানে ডননিউজে কর্মরত আছেন। এই বিয়ে পাকিস্তানে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। পাকিন্তানের অনলাইন কিংবা অফলাইন, সবখানেই আলোচনার মূল বিষয়বস্তু এই বিয়ে।
এই বিয়ে নিয়ে ইতিমধ্যে তোপের মুখে পড়েছেন কনে রেহাম খান। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাকে লেসবিয়ান দাবি করা হয়েছে। এই দাবির সপক্ষে বেশ কিছু ছবিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। ইন্টারনেটে রেহাম খানের একটি ছবিকে তার লেসবিয়ান অ্যাক্ট বলে দাবি করা হয়েছে। অপর একটি ছবিতে অপরিচিত একজনের সাথে নাচছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটার ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের সাথে উম্মে আহমেদ শিশিরের বিয়ে হয় ১২ ডিসেম্বর ২০১২ (১২-১২-২০১২)। এই বিয়ে তখন টক অব দ্য কান্ট্রি ছিলো। তখন সম্পূর্ণ অপরিচিত শিশিরের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে দেশের মানুষজন। কে এই শিশির? খুঁজতে গিয়ে ইন্টারনেটে শিশিরের বেশ কিছু বিতর্কিত ছবি পাওয়া যায়। যে ছবিগুলোর সাথে রেহাম খানের ছবিগুলোর অনেকটা মিল রয়েছে। বেশ কয়েকটি ছবিতে শিশিরকে পার্টিতে নাচতে দেখা যাচ্ছে। অন্য আরেকটি ছবিতে এক বান্ধবীর সাথে আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন শিশির।
এখন কথা হচ্ছে, ইন্টারনেটে কিছু ছবি দেখেই কি আমরা কারো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবো? শিশিরের ওইসব ছবি নিয়ে তখন অনেকেই শিশিরকে নানান কথা শোনানোর চেষ্টা করেছেন। আর এখন রেহাম খানের এসব ছবি নিয়ে তাকে লেসবিয়ান প্রমানে মরিয়া চেষ্টা করছে মানুষজন। কথা হচ্ছে, আজকালকার যুগে ইন্টারনেটের কোনো ছবিকেই সত্য বলে ধরে নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ফটোশপের মাধ্যমে একেবারে বিশ্বাসযোগ্য ছবি তৈরী করা তেমন কোনো ব্যাপার নয়।
তার উপর একটা নির্দিষ্ট সময়কে ক্যামেরাবন্দী করে কারো চরিত্র সম্পর্কে কিছু বলাও সম্ভব নয়। রেহাম এবং শিশিরের ছবিতে এটা বোঝা যাচ্ছে যে, তারা পার্টিতে নাচছেন এবং তাদের সাথে মেয়ে বন্ধু আছে। এটাতো কাইকে লেসবিয়ান প্রমান করার মত কোনো ছবি নয়। একই ধরনের ছবিতে শিশিরের সমালোচনা হয়েছিলো, কিন্তু শিশিরকে তো কেউ লেসবিয়ান বলেনি। তাহলে এখন কেন?

Post a Comment